1. admin@tbcnews24.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৫:২১ অপরাহ্ন

চুয়াডাঙ্গায় পাঁচদিন ধরে বন্ধ টিসিবি’র পণ্য বিক্রি

ডেক্স রিপোর্ট //
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৮ মার্চ, ২০২২
  • ৭৭ বার পঠিত
পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় চুয়াডাঙ্গায় পাঁচদিন ধরে বন্ধ রয়েছে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি। পণ্য না পেয়ে ক্ষুব্ধ ফ্যামিলি কার্ডধারীরা। ফের কবে স্বাভাবিক হবে কার্যক্রম, তা বলতে পারছে না টিসিবিও।

সারাদেশের মতো চুয়াডাঙ্গায়ও ২০শে মার্চ থেকে ফ্যামিলি কার্ডে শুরু হয় টিসিবি’র পণ্য বিক্রি। প্রথম তিনদিন ঠিকঠাক চললেও এরপর থেকে বন্ধ কার্যক্রম।

পাঁচদিন ধরে এ অবস্থা থাকায় হতাশ ফ্যামিলি কার্ডধারীরা। সমস্যার কথা স্বীকার করছেন জনপ্রতিনিধরাও।

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা চিৎলা ইউপি চেয়ারম্যান সরোয়ার হাসান জানান, ডিলারদের সাথে সমন্বয়হীনতার কারণে এখনও সবার জন্য ফ্যামিলি কার্ড করা যায় নি।

ভূকভোগীরা জানান, শুক্রবার ফ্যামিলি কার্ড করে দেয়ার কথা থাকলেও এখনও কোন খোঁজ-খবর নেই। কবে দেবে তাও জানা যায়নি। কয়েকজন বলেন, এভাবে ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলায় তারা বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন।

ডিলাররা বলছে- গুদাম নয়, পণ্যের সরবরাহ সংকটের কারণেই থমকে আছে কার্যক্রম।

চুয়াডাঙ্গার টিসিবি ডিলার জহুরুল ইসলাম ইসলাম বলেন,পণ্য সরবরাহে সংকটের কারণেই এই সমস্যা হচ্ছে।

সরবরাহ সংকট কবে দূর হবে, টিসিবি’র পণ্য বিক্রি ফের কবে থেকে স্বাভাবিক হবে, বলতে পারছে না কেউই।

তবে অচিরেই এ সংকট কেটে যাবে বলে আশা করছে টিসিবি।

ঝিনাইদহের টিসিবির সহকারী কার্যনির্বাহী আতিকুর রহমান বলেন, খুব শিগগিরই সমস্যার সমাধান করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০ মার্চ থেকে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গায় নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে টিসিবির পণ্যসামগ্রী বিক্রি কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় । চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে টিসিবির খাদ্যপণ্য বিক্রি শুরু হয়।

চুয়াডাঙ্গার চারটি উপজেলার ৭৪ হাজার ৫৫৬ পরিবারকে টিসিবির পক্ষ থেকে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ে পণ্য দেওয়া হবে। প্রথম পর্যায়ে প্রত্যেক কার্ডের বিপরীতে ২ লিটার সয়াবিন তেল, ২ কেজি চিনি ও ২ কেজি মসুর ডাল দেওয়া হবে।

দ্বিতীয় দফায় বাড়তি হিসাবে ২ কেজি ছোলা দেওয়া হবে। টিসিবরি নির্ধারিত মূল্য তেল প্রতি লিটার ১১০ টাকা, চিনি ৫৫ টাকা ও ডাল ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। বর্তমানে জেলাটিতে ১২ হাজার পরিবার টিসিবির খাদ্যপণ্য কিনেছে।

টিসিবির প্যাকেটজাত পণ্য নির্ধারিত ডিলারদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্থানে বিক্রি করা হয়।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, টিসিবি থেকে আসা খাদ্যপণ্য চুয়াডাঙ্গার খাদ্যগুদামে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। সেখান থেকে ট্রাকযোগে নির্ধারিত স্থানে পৌঁছানো হয়। গুদামের ধারণক্ষমতা কম হওয়ায় তুলনামূলক কম পরিমাণে খাদ্যপণ্য নিয়ে আসা হয়। গত বুধবার থেকে ওই গুদামে খাদ্যপণ্য কম থাকায় হাতে গোনা কয়েকটি স্থান ছাড়া সব স্থানে খাদ্যপণ্য বিক্রি বন্ধ রাখা হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) জাকির হোসেন বলেন, আমাদের পর্যাপ্ত গুদাম নেই। ত্রাণের গুদামে ৬০ মেট্রিক টনের বেশি পণ্য রাখা সম্ভব নয়। তাই খাদ্যগুদামেও কিছু মালামাল রাখা হয়। সেখানেও পর্যাপ্ত জায়গা নেই। একারণে ক্রমান্বয়ে টিসিবির মালামাল পাঠাতে আমরা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। যেন ক্রমান্বয়ে আমরা বিতরণ করতে পারি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

ফেসবুকে আমরা